খুলনা জেলা

 খুলনা জেলা:

প্রশাসনিক জেলাঃ খুলনা জেলা

পৌর পদমর্যাদা      অর্জন ১৯৮৪

সিটি কর্পোরেশন অর্জন ১৯৯০

আয়তন মহানগরী ৩৬.২১ কিমি (১৩.৯৮ বর্গমাইল)

জনসংখ্যা  মহানগরী ১৫,০০,০০০

শিক্ষার হার ৫৯.%

বিমানবন্দর খান জাহান আলী বিমানবন্দর

ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পরে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর খুলনা খুলনা বিভাগ এবং খুলনা জেলার সদর দপ্তর খুলনা শহরে অবস্থিত। খুলনা শর বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে রূপসা এবং ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত। খুলনা বাংলাদেশের প্রাচীনতম নদী বন্দরগুলোর মধ্যে অন্যতম। খুলনা বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় খুলনাকে অন্যতম শিল্প নগরী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মংলা সমুদ্র বন্দর খুলনা শহর থেকে ৪৮ কি.মি. দূরে অবস্থিত। পৃথিবী বিখ্যাত উপকূলীয় বন সুন্দরবন খুলনা জেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত। সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার হলো খুলনাঢাকা থেকে খুলনা শহরের দূরত্ব ৩৩৩কি.মি.। রাজধানী সহ দেশের যেকোনো অঞ্চলের সংগে স্থলপথ, আকাশপথ, রেলপথ ও জলপথ ব্যবহার করা যায়।  ১৯১২ সাল থেকে লোকজন অত্র অঞ্চলে নদীপথে স্টিমারে চলাচল করে।

খুলনা জেলা

খুলনার নামকরণ

হযরত পীর খানজাহান আলীর (র.) স্মৃতি বিজড়িত ও ভৈরব-রূপসা নদীর তীরে শহর খুলনার ইতিহাস নানাভাবে ঐতিহ্য মন্ডিত। এই অঞ্চলের নামকরণের উৎপত্তি সম্পর্কে নানান মত রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচিত মতামত হলো :

১। মৌজা ‘কিসমত খুলনা' থেকে খুলনা নামকরণ;

২। বিশিষ্ট ধনপতি সাওদাগরের দ্বিতীয় স্ত্রী খুল্লনার নামে নির্মিত ‘খুল্লনেশ্বরী কালী মন্দির' থেকে খুলনা নামকরণ;

৩। তৎকালীন ১৭৬৬ সালে ‘ফলমাউথ' জাহাজের নাবিকদের উদ্ধারকৃত রেকর্ডে লিখিত Culnea শব্দ থেকে খুলনা নামকরণ

৪। ইংরেজ আমলের সেই সময়ে মানচিত্রে লিখিত Jessore-Culna শব্দ থেকে খুলনা নামকরণ,-

তবে কোনটি সটিক তা গবেষকরা নির্ধারণ করবেন।

খুলনার শিল্প ঃ

খুলনা শিল্পশহর হিসাবে বিখ্যাত হলেও বর্তমানে এখানকার বেশিরভাগ শিল্পই শূন্যর কোটায় ব্রিটিশ আমলে খুলনাতে দেশের একমাত্র নিউজপ্রিন্ট ও হার্ডবোর্ড মিল ছিল যা এখন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়েছে। খুলনার বেশির ভাগ পাটকলগুলোও আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। খুলনার উল্লেখযোগ্য বর্তমানে শিল্প হল বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে ওঠা রপ্তানীযোগ্য মাছ শিল্প। তবে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তারশিল্প কারখানাটি বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড খুলনায় অবস্থিত।

এক সময় খুলনাকে বলা হত রুপালি শহর। এর কারণ এই এলাকাতে প্রচুর পরিমাচণে চিংড়ী মাছ উৎপাদন করা হতো এখনও হয়, যদিও অনেকটা কমে গেছে। খুলনা অঞ্চলে সাদা মাছের সাথে চাষ হয় প্রচুর চিংড়ী মাছ খুলনার দাকোপ, পাইকগাছা, কয়রা উপজেলাতে লোনা পানির ঘেরে প্রচুর পরিমানে বাগদা চিংড়ি হয়। খুলনা অঞ্চলের ডুমুরিয়া উপজেলায় কিছু গ্রামে মৃৎশিল্পের কাজ হয়সেখানে মাটির টব কলসি হাড়ি পতিল তৈরি করে কুমোরেরা।

খুলনার নদ নদী

খুলনায় রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নদ-নদীএখানকার নদীগুলো হলো-

রূপসা নদী

ভৈরব নদ

শিবসা নদী

পশুর নদী

কপোতাক্ষ নদ

নবগঙ্গা নদী

চিত্রা নদী

চিত্রা নদী

পশুর নদী

১০আঠারোবাঁকি নদী

১১ভদ্রা নদী

১২বুড়িভদ্রা নদী

১৩শৈলমারী নদী

১৪কাজিবাছা নদী

১৫ডাকাতিয়া নদী

১৬শাকবাড়িয়া নদী

১৭কাঁকরী নদী

১৯ঝপঝপিয়া নদী

২০তেলিগঙ্গা-ঘেংরাইল নদী

২১অর্পণগাছিয়া নদী

২২কুঙ্গা নদী

২৩মারজাত নদী

২৪মানকি নদী

২৫বল নদী

২৬নলুয়া নদী

২৭ঘনরাজ নদী

 

দর্শনীয় স্থান সমূহ

খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর,

খানজাহান আলী সেতু,

জাহানাবাদ বনবিলাস চিড়িয়াখানা ও শিশু পার্ক,

শহীদ হাদিস পার্ক, জাতিসংঘ পার্ক,

রাজা ভরতের "ভরত ভায়না", ভায়না, যশোর,

গল্লামারী লিনিয়ার পার্ক,

কবি কৃষ্ণ চন্দ্র ইনস্টিটিউট,

দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স,

গল্লামারী বধ্যভূমি ও স্মৃতিসৌধ,

১০বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধি,

১১সোনাডাঙ্গা সোলার পার্ক

*

إرسال تعليق (0)
أحدث أقدم